বৃহস্পতিবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, রাত ২:১৩
শিরোনাম :
বরিশালে হাফেজ শিক্ষার্থীদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্ন, সনদ ও বই বিতরণ নলছিটিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও গণমাধ্যম সচেতনতায় তরুণ-তরুণীদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত তারুণ্যের নলছিটির ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বরিশালে সাগরদী মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেনকে ফের হয়রানী, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি! ২৮ অক্টোবর ইতিহাসের এক জঘন্যতম কালো অধ্যায়: অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য সরকারের: আইসিটি মন্ত্রী সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ ও ডিজিটাল সচেতনতায় নলছিটিতে সংলাপ অনুষ্ঠিত বরিশালে সুদ ও তাবিজ বিতর্কে মসজিদের ইমাম: পরিবর্তনের দাবি দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর :কনস্যুলেটের দুর্বলতা ছিল কিনা,জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি

চিলমারীতে বানভাসীদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

এজি লাভলু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় বাণভাসী মানুষদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ০৯ আগস্ট (শুক্রবার) বিকালে উপজেলার রমনা ইউনিয়ের ৯নং ওয়ার্ডে আব্দুল আজিজ মেম্বারের বাসায় এসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি চিলমারী উপজেলা চেয়ারম্যান বীরবিক্রম শওকত আলী সরকার, বিশেষ অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মো. শামসুজ্জোহা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস, কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ সদস্য রেজাউল ইসলাম লিচু, যুগান্তর পত্রিকার রিপোর্টার রেজাউল করিম প্লাবন, সাপ্তাহিক যুগের খবর পত্রিকার সম্পাদক নুরুল আমিন, সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর, চিলমারী সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি সাওরাত হোসেন সোহেল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন রমনা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল আজিজ।

এসময় চিলমারী উপজেলা চেয়ারম্যান বীরবিক্রম শওকত আলী সরকার বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের স্থায়ী পুনর্বাসনে কাজ করছে সরকার। যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রত্যেককে ঘর নির্মাণ করে দেয়া হবে। বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে দিতে সরকার বিভিন্ন কর্মকান্ড হাতে নিয়েছে। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ নজর রয়েছে চিলমারীর মানুষের প্রতি। তিনি বন্যায় সমসময় খোজখবর নিয়েছেন, সাহায্য সহযোগীতা করতে সরকারর মন্ত্রী, এমপি ও দলের শীর্ষ নেতারা ছুটে পাঠিয়েছেন।

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস সরকার বলেন, বন্যার্ত মানুষদের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণ মজুদ আছে। যতদিন পর্যন্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে না ততদিন সরকার ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রাখবে।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে এক হাজার বন্যার্ত পরিবারের মাঝে ১৫ হাজার কেজি চাল, দেড়শ প্যাকেট শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়।